বুধবার, ১৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৬ রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি


টেলিযোগাযোগ খাতে চলছে অবৈধ ট্রান্সমিশন ব্যবসা।

 

নাজমুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার:

স্টাফ রিপোর্টারঃ- টেলিযোগাযোগ খাতে ট্রান্সমিশন সেবায় জটিলতা দেখা দিয়েছে। চলছে অবৈধ ট্রান্সমিশন ব্যবসা। অন্য দিকে লাইসেন্সের তথ্য ভঙ্গ করে নিয়ন্ত্রণ সংস্থার পক্ষ থেকে ট্রান্সমিশন যন্তপাতির আমদানি এই পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অবৈধ ট্রান্সমিশনের জন্য বছরে শত কোটি টাকার বেশি রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

অন্যদিকে ট্রলিকম খাতে সবচেয়ে ঝুঁকিতে পড়েছে দুই দেশি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। তৃণমূল পর্যায়ে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য ২০০৯ সালে উদ্যোগ নেয় সরকার। এ লক্ষে মাটির নিচ দিয়ে ব্যান্ডবোর্ড তৈরির জন্য ন্যাশনওয়াইট টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক ইন্টারটেইন লাইসেন্স দেয় বিটিআরসি। সম্প্রতি এনটিটিয়েন লাইসেন্সের শর্তকে পাশ কাটিয়ে মোবাইল অপারেটরদেরও জন্য ট্রান্সমিশন যন্ত্রপাতি আমদানির ও স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিটিআরসি।

এনটিটিয়েন অপারেটরদের অভিযোগ এই সিদ্ধান্তে তাদের প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়বে। মোবাইল অপারেটর আইএসপি সহ ট্রান্সমিশন খাতে সকল সেবাদাতাদের জন্য স্পেশাল অবকাঠামো তৈরির জন্য শুধুমাত্র এনটিটিএন অপারেটরদের দায়িত্ব দেয় সরকার। এই লক্ষে গত একযুগে সরকারি তিনটি সহ মোট ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে এ কাজের অনুমতি দেওয়া হয়। অভিযোগ উঠেছে লাইসেন্স ছাড়াই ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক নির্মাণ ও উন্নয়ন করছে একাধিক দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠান।

ট্রান্সমিশন সেবা থেকে সরকার বছরে রাজস্ব আয় করছে শত কোটি টাকার বেশি। এনটিটিএন অপারেটরদের অভিযোগ অবৈধ ট্রান্সমিশন সেবার কারণে সরকার আরো একশত কোটি টাকার বেশি রাজস্ব হারাচ্ছে। সাড়া দেশে এনটিটিয়েন অপারেটরদেএ এক লাখ কিলোমিটারের বেশি অপটিক্যাল ফাইবারের নেটওয়ার্ক রয়েছে।

33 Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*