Warning: Creating default object from empty value in /home/ajkerunmocon/public_html/wp-content/themes/LatestNews/lib/ReduxCore/inc/class.redux_filesystem.php on line 29
ব্লু ইকোনমি এবং বাংলাদেশ’র সম্ভবনা৷ ব্লু ইকোনমি এবং বাংলাদেশ’র সম্ভবনা৷ – doinikajkerunmocon.com
  1. admin@ajkerunmocon.com : ajkerunmocon.com :
  2. milonsaikat32@gmail.com : najmul islam : najmul islam
শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ১২:১১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
সিএমপি বায়েজিদ থানার এসআই কাজী রিপন সরকারের বিরুদ্ধে টাকা খেয়ে আদালতে মিথ্যা প্রতিবেদন পাঠানোর অভিযোগ চট্টগ্রাম মহানগর আকবরশাহ থানাধীন বিশ্বকলোনী এলাকাই র‌্যাব-7 অভিযান চালিয়ে অস্ত্র সহ এক যুবক ক গ্রেফতার করে। ২০ কেজি গাজাসহ ঝিনাইদহ গ্রেফতার-১ ঝিনাইদহে ৩০০ পিচ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০৪ (চার) জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। দৈনিক চার’শ টাকা হাজিরার দাবীতে ঝিনাইদহে পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বিক্ষোভ মিছিলঃ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনয়নকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ১ লকডাউনে যেভাবে ব্যাংকে লেনদেন করবেন লকডাউন কার্যকরে ঝিনাইদহ পুলিশের অভিযান শুরু।। এক বছরে সৌদিতে চাকরি হারিয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার প্রবাসী। দিনাজপুরের খানসামায় পরিবারের সাথে অভিমান করে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীর আত্মহত্যা

ব্লু ইকোনমি এবং বাংলাদেশ’র সম্ভবনা৷

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

 

ব্লু ইকোনমি কিংবা সুনীল অর্থনীতি হচ্ছে সমুদ্র সম্পদ নির্ভর অর্থনীতি। ১৯৯৪ সালে অধ্যাপক গুন্টার পাউলি ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক রূপরেখা প্রনয়নের জন্য একটি টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব মডেল হিসেবে ব্লু ইকোনমির ধারণা দেন। এছাড়াও নতুন এই মডেলের অদ্যোপান্ত তুলে ধরতে অধ্যাপক পাউলি ২০১০ সালে প্রকাশ করেন তার সাড়া জাগানো গ্রন্থ “The Open Source from the Source.” মোট ১৪টি অধ্যায়ে বিভক্ত এই বইটিতে তিনি ধাপে ধাপে বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন ব্লু ইকোনমির পিছনের তত্ত্ব, তথ্য ও তার প্রয়োগ।

ব্লু ইকোনমি কেন গুরুত্বপূর্ণ? পৃথিবীর ৩ভাগ জল। পৃথিবীর দেশগুলো তাদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদা মেটাতে তাকিয়ে আছে সমুদ্র বক্ষে সঞ্চিত সম্পদের দিকে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৫০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা হবে প্রায় ৯০০ কোটি। এই বিপুল জনগোষ্ঠীর খাবার যোগান দিতে তখন সমুদ্রের মুখাপেক্ষী হতে হবে। বিশ্ব অর্থনীতিতে সমুদ্র অর্থনীতি বহুবিধভাবে অবদান রেখে চলেছে। এছাড়াও বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রে শুধু মাছ রয়েছে প্রায় ৫০০ প্রজাতির। এছাড়াও শামুক, ঝিনুক, শ্যালফিস, কাকড়া, অক্টোপাস, হাঙ্গরসহ রয়েছে বিভিন্ন প্রকার সামুদ্রিক প্রানী। যেগুলো বিভিন্ন দেশে অর্থকারি প্রাণী হিসেবে বিবেচিত। বিশেষজ্ঞগন মনে করেন, এই প্রানী সম্পদ ছাড়াও ১৩টি জায়গায় আছে মূল্যবাল বালু, ইউরেনিয়াম, ও থোরিয়াম। এগুলোতে মিশে আছে ইলমেনাইট, গার্নেট, সিলিমেনাইট, জিরকন, রুটাইল, ও ম্যাগনেটাইট। বিভিন্ন দেশের ব্লু ইকোনমি প্রস্তুতিঃ বছর ব্যাপী ৩-৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের কর্মকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে সমুদ্র ঘিরে। বিশ্বের ৪শ ৩০কোটি মানুষের ১৫ভাগ প্রোটিনের যোগান দিচ্ছে সামুদ্রিক মাছ, উদ্ভিদ ও জীবজন্তু। পৃথিবীর ৩০ভাগ গ্যাস ও জ্বালানি তেল সরবরাহ হচ্ছে সমুদ্রতলের বিভিন্ন গ্যাস ও তেল ক্ষেত্র থেকে।সামুদ্রিক জীব বৈচিত্রের জ্ঞান বৃদ্ধির মাধ্যমে সমুদ্র নির্ভর ঔষধ শিল্পও গড়ে তুলা সম্ভব।

সমগ্র বিশ্ব ক্রমশঃ ব্লু ইকোনমি জনপ্রিয় হচ্ছে। বিগত বছর গুলোতে যতগুলো আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়েছে প্রায় সবকটি সম্মেলনে এটি ছিলো আলোচনার মূল। এছাড়াও আন্তর্জাতিক সংস্থার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশও ব্লু ইকোনমি নির্ভর কৌশল প্রনয়ণ করেছে। ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় অর্থনীতির সিংহভাগ সমুদ্র নির্ভর।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি এমনকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে যে তার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করতে পারলে সমুদ্র থেকে আহরিত সম্পদের মূল্যমান জাতীয় বাজেটের ১০গুন হবে। অপরদিকে অস্ট্রেলিয়া সমুদ্র সম্পদ থেকে বর্তমানে প্রায় ৪৪বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে থাকে। আর ২০২৫ সাল নাগাদ এই আয়ের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়ঃ আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে ২০১২ সালে মায়ানমার সাথে আর ২০১৪ সালে ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিস্পতি হওয়ায় মোট ১লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার এর বেশী টেরিটোরিয়্যাল সমুদ্র এলাকা এখন বাংলাদেশের। সাথে আছে ২০০নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল ও চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের সবধরনের প্রানী-অপ্রানীজ সমুদ্রের উপরে সার্বভৌম অধিকার। এথেকে বুঝা যাচ্ছে বাংলাদেশের আয়তনের মত একটি বাংলাদেশ এখন জলরাশীতেও।

সুতরাং এই বিজয় শুধু সমুদ্র বিজয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে এখনিই এই সম্ভাবনাময় স্থানটিকে কাজে লাগানো উচিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সমুদ্র বিজয়- কিরূপ সম্ভবনার দ্বার উম্নেচিত হয়েছেঃ একটু লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, প্রতিবেশি রাষ্ট্র ভারত ও মায়ানমার বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে যে তেল গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে ভূতাত্ত্বিকরা মনে করেন, প্রবল সম্ভাবনা আছে বাংলাদেশের অংশেও পাবার। তাদের মতে, বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রসম্পদ বাংলাদেশকে যেমন দিতে পারে আগামী দিনের জ্বালানি নিরাপত্তা, তেমনি বদলে দিতে পারে অর্থনীতির সামগ্রিক চেহারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় ইয়োলো হোস্ট